• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
Headline
আমার দায়িত্ব দুস্থ মানুষের সেবা করা — ফয়সাল হাসান মাহমুদ আজ দৈনিক সিরাজগঞ্জ কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক এর মাতার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সাবেক এজিএস দুলাল কাজিপুরে “দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি”র উদ্যাগে ৪০ জন দুঃস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে নলকূপ বিতরণ  জাল টাকা তৈরির কারখানায় অভিযান, সরঞ্জামসহ আটক ১ সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের মানিকের জয়সূচক গোলে ফাইনালে বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ জনের বেলকুচিতে ‘অনিরাপদ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ইসলামিয়া কাউন্টি প্রিমিয়ার টি – ফিফটিন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এঁর উদ্বোধন করলেন হাজী আব্দুস সাত্তার

সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সাবেক এজিএস দুলাল

Reporter Name / ২১ Time View
Update : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সাবেক এজিএস দুলাল

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ৮নং সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহসম্পাদক ও সলঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাবেক এজিএস

এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ। সলঙ্গা’র রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ চেয়ারম্যান প্রার্থী এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ এর দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনীতিক জীবন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি তার মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে রাজনীতিক অঙ্গনে নিজেকে বিকশিত করেছেন। অবিসংবাদিত আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যখন দেশে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী ছাত্র গণআন্দোলন চলছিল ঠিক সেই সময় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলাধীন সলঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সফলতার সিঁড়ি বেয়ে আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে অর্জিত রাজনীতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি উল্লাপাড়া উপজেলা ও সলঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদল পরবর্তীতে সলঙ্গা প্রস্তাবিত থানা ছাত্রদল এবং পরবর্তী সলঙ্গা থানা প্রতিষ্ঠার পর সলঙ্গা থানা ছাত্রদল ও যুবদলে সফলতার সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শুধু তাই নয় তিনি সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজের প্রায় এক যুগ বন্ধ থাকা ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঘোষণার দাবিতে ১৯৯২ সালে জনমত তৈরি করেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠিত করে সর্বদলীয় ছাত্র সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনে তিনি সামনের সাঁরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একপর্যায়ে যখন দাবি আদায়ের আন্দোলন তুঙ্গে তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করতে বাধ্যহন। সেই সময়ে অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে এজিএস নির্বাচিত হয়েছিলেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ও চেতনাকে বুকে লালন এবং ধারণ করার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পতাকা বহন করে শিক্ষা,ঐক্য, প্রগতির মুলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে এম. দুলাল উদ্দিন আহমেদ উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে শুধু কলেজ ক্যাম্পাসকেই মুখড়িত করেননি, তিনি সে সময় পুরো রাজপথকেও মুখড়িত করে রেখেছেন। এতে একদিকে ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস আরেকদিকে তুখোড় একজন বক্তা হিসেবে তখন থেকেই ভাগ্যলক্ষীর আশির্বাদে বিকশিত হতে থাকে তার গতিশীল নেতৃত্ব। তবে তার নেতৃত্ব বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রেরণার উৎস হচ্ছে তিনি একজন অগ্নিঝরা বক্তা।

একজন অগ্নিঝরা বক্তা হিসেবে তখন থেকেই সলঙ্গাসহ গোটা রাজনীতিক অঙ্গন এবং সর্বমহলে ছড়িয়ে পড়ে তার প্রশংসিত নাম ও সুনাম। এই প্রশংসিত নাম ও সুনামই রাজনীতিক অঙ্গনসহ সর্বাগ্রে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করে দিয়েছে। তৃণমুলের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা সাবেক ছাত্রনেতা এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ তৃণমুল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত বিএনপিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মনের মণিকোঠায় নিজেকে ঠাঁই করে নেন। তিনি তার সেই সাংগঠনিক কাজের মুল্যায়নের স্বীকৃতি স্বরুপ সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও জেলা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিবের মতো দু’টি গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপ-নির্বাচন ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য সচিব,সলঙ্গা থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক,সলঙ্গা থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সদস্য, উল্লাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য,সলঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস,সলঙ্গা থানা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি, যুগ্নআহ্বায়ক, সলঙ্গা প্রস্তাবিত থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সলঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আহ্বায়ক

হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আজ দৃঢ় মনোবলে বলিয়ান হয়ে রাজনীতিক নতুন দিশার বর্ণাঢ্য আলোতে রোশনাই ছড়িয়ে সম্মুখের দিকে অগ্রসর করতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাবেক ছাত্রনেতা এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ তার বহুমুখী প্রতিভার কারণে তিনি বিএনপিসহ দলমত নির্বিশেষে এলাকার সলক শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ জনগণকে আপন করে কাছে টেনে নেওয়ার জন্য রয়েছে তার ক্যারিশমেটিক আদর্শ,নম্র,ভদ্র ও বিনয়ী নেতৃত্ব,সম্মোহন ব্যবহার ও মার্জিত কথাবার্তা। আর এসব গুণাবলিই তাকে বিস্ময়কর জনপ্রিয়তার অধিকারী করে তুলেছে এবং সাধারণ মানুষের মনের মনি কোঠায় ঠাঁই করে দিয়েছে। সর্বোপরি তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তাদের আস্থা,বিশ্বাস ও ভালোবাসার এক বিশ্বস্ত ঠিকানায় পরিনত হয়েছেন।

এদিকে ছাত্র রাজনীতির অতীত সোনালী ফসল এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ সিরাজগঞ্জ বিএনপি’র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও জেলা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার কারণে যেমন তিনি তার রাজনীতিক গতি ফিরে পেয়েছেন তেমনি তিনি চাঙ্গা মনোবল নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পিঁছুটানহীন ভাবে সাংগঠনিক সকল কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করে চলেছেন। এতে তিনি আজ সফলতাও পেয়েছেন এবং নেতাদের আস্থাও কুড়িয়েছেন। অপরদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে তিনি নিভীর ভাবে জড়িয়ে পড়ায় তাদের ভালোবাসাও পেয়েছেন। এমনকি সাংগঠনিক কাজে তিনি আন্তরিকতার সাথে সারা দিয়ে সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আত্মার পরম বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এক কথায় তাঁর রাজনৈতিক দুরদর্শীতা,অনবদ্ধ পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞা এখন তাকে অনেক অগ্রসর করেছে। তিনি বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য জননেতা জনাব- ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি রুমানা মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু’র নির্দেশিত পথ অনুস্বরন করে সাংগঠনিক কাজের জন্য ছুঁটে চলছেন এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত। তার ছুঁটে চলা যেন তিনি সকল নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করেছেন এবং জেলা বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে গভীর ভালোবাসার সেতুবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

শহীদ জিয়ার সুর্য সৈনিক এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ একদিনে জেলা বিএনপিতে ওঠে আসতে পারেননি,জেলা বিএনপিতে তার উঠে আসার পিছনে রয়েছে সাংগঠনিক প্রজ্ঞা,অনেক ঘাত-প্রতিঘাত,ত্যাগ-তিতিক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রাম। যিনি সিনিয়র নেতাদের উৎসাহে ভয়কে জয় করে রাজনীতিক সহকর্মীদের সাথে ঝুঁকি নিয়ে রাজনীতির গতিধারাকে ত্বরান্বিত করতে সদা-সর্বদা নিয়োজিত থেকেছেন দুঃসাহসীকভাবে রাজনীতির মাঠে। জেলা ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের আদেশ নির্দেশ মেনে চলেছেন বলেই তিনি আজ ঈর্ষনীয় সফলতাও পেয়েছেন। কাজেই আদর্শ যে মানুষকে জাগ্রত করে এবং পরিশ্রম যে সফলতা বয়ে এনে দেয় তাঁর প্রমান রেখেছেন সাবেক ছাত্রনেতা এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ। তবে পরিশ্রমী এই নেতার ছুঁটে চলা ও রাজনীতিক কর্মকৌশলকে যদি মুল্যায়ন করা যায় তাহলে নিঃসন্দেহে বলতে হবে তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ এবং আদর্শ, নম্র,ভদ্র ও বিনয়ী মনোভাবাপন্ন মানুষ।

অপরদিকে এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবীদই নয় তিনি একজন লেখক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। তিনি একাধারে সলঙ্গা প্রেসক্লাবের তিনবার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে একাধারে ছয়বার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি কর্মজীবনে তিনি সাপ্তাহিক সাহসী জনতার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,দৈনিক সিরাজগঞ্জ বার্তার সহকারী সম্পাদক ও দৈনিক উত্তরাঞ্চলের নিজস্ব প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক আজকের জনবাণীর সহকারী সম্পাদক,বাংলাদেশ সময় এর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক দিনকালের সলঙ্গা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি সামাজিক সেবামুলক নানাবিধ কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন। সে ধারাবাহিকতায় তিনি নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন একাডেমি সিরাজগঞ্জ’র সাধারণ সম্পাদক ও সলঙ্গা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু তাই নয় তিনি তার মানবিকতা থেকে বিভিন্ন মানুষকে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন।পারিবারিক জীবনে তিনি দুই সন্তানের গর্বিত পিতা। তার একমাত্র ছেলে ডা. অলি আহমেদ পারভেজ একজন এমবিবিএস চিকিৎসক। তিনি এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জেনারেল সার্জারী বিভাগের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং তার একমাত্র মেয়ে তাসমিয়া তাবাসসুম প্রিয়াঙ্কা ঢাকার স্বনামধন্য একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অনার্সে অধ্যায়নরত। তার সহধর্মিনী পারভীন আহমেদ একজন আদর্শ সু-গৃহিনী। এদিকে দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনীতি জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ আসন্ন ৮নং সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। তিনি দলমত নির্বিশেষে সলঙ্গা ইউনিয়নবাসীর খাদেম হিসেবে কাজ করার ব্রত ও কাঙ্খীত লক্ষ্য অর্জনের জন্য ৮নং সলঙ্গা ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category