• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
সিরাজগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে অঙ্গহানি ও প্যারালাইজড শ্রমিকদের মাঝে অনুদান প্রদান সিরাজগঞ্জ সদরের প্রতিটি ঘরে-ঘরে গিয়ে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা করছেন সাইদুর রহমান বাচ্চু ভদ্রঘাট ইউনিয়নে জনসংযোগে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে ১০ম গ্রেডভূক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী/ সমমান পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ৩৩% কৌটা সংরক্ষণের প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান খোকশাবাড়ীতে ধানের শীষের পক্ষে অমর কৃষ্ণ দাসের গণসংযোগ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অবসানে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করতে হবে: আসিফ মাহমুদ সিরাজগঞ্জ শহরে ধানের শীর্ষের পক্ষে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান এর গণ-সংযোগ উল্লাপাড়ায় বিএনপির নির্বাচনী সভায়- ভোটাধিকার ফেরানোর অঙ্গীকার এম আকবর আলীর বিএনপি ছাড়া দেশ পরিচালনা করার জন্য অন্য কোন অভিজ্ঞ দল নেই- তারেক রহমান

সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো জিরা চাষ করছেন কৃষি উদ্যোক্তা পলাশ

Reporter Name / ১৯৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো জিরা চাষ —-
স্টাফ রিপোর্টারঃ- জিরার বীজ রোপণের জন্য শ্রমিকদের দিয়ে জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট এলাকায়।সুপরিচিত ও জনপ্রিয় একটি মসলা জিরা। এই জিরা মসলা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে প্রথমবারের মতো বারি-১ জাতের জিরার আবাদ শুরু করেছেন মাহবুবুল ইসলাম পলাশ নামে এক কৃষি উদ্যোক্তা। তার এই উদ্যোগ দেখে স্থানীয় অন্য কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।

জানা যায়, জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট গ্রামের মাহবুবুল ইসলাম পলাশ একজন কৃষি উদ্যোক্তা। তার সংগ্রহে রয়েছে হরেক রকম বিরল বৃক্ষ। তিনি জাতীয় কৃষি পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। এই উদ্যোক্তা সখের বশে বাড়ির পাশে ১০ শতক জমিতে প্রথমবারের মতো বারি-১ জাতের জিরা চাষাবাদ শুরু করেছেন। উত্তমরূপে জমি চাষাবাদ করে সেখানে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ৪শ’ গ্রাম জিরা বীজ বপন করেছে।

স্থানীয়রা জানান, কৃষি উদ্যোক্তার নিজের প্রায় সাত বিঘা জমির উপর বাড়িতে ৩৪৫ প্রজাতির ৪ হাজার হরেক রকম বৃক্ষের সংগ্রহ রয়েছে। ছোট-বড় এসব গাছপালায় পুরো বাড়িটি সবুজে ঘেরা। মূলত বিরল বৃক্ষ সংগ্রহ এবং ফসল চাষাবাদে তার আগ্রহ বেশি। একারণে তিনি নিজের জমিতে জিরা চাষাবাদ শুরু করেছেন।

এদিকে জিরার ফলন ভাল পেলে আগামীতে এর চাষাবাদের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের এই চাষাবাদের জন্য সহযোগিতা করবে বলে কৃষি উদ্যোক্তা জানিয়েছেন।

মাহবুবুল ইসলাম পলাশ বলেন, বগুড়ার মসলা গবেষণা থেকে ২ হাজার টাকায় ৪০০ গ্রাম জিরার বীজ সংগ্রহ করে ১০ শতাংশ জমিতে রোপণ করেছি। ঘরে তুলতে প্রায় ১১০ দিনের মতো সময় লাগে। আশা করছি ফলন ভালো হলে প্রায় ২০ কেজি জিরা হবে। প্রতি কেজি জিরার বীজ ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি করলে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মতো বিক্রি করা যাবে।তিনি আরো বলেন, “জিরার চাষে সফল হলে উপজেলার কৃষকদের সুলভ মূল্যে বীজ দেওয়ার চেষ্টা করব। এই জিরা চাষে আগ্রহী করতে পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো, যাতে কৃষকেরা জিরা চাষ করে লাভবান হয়। জিরা চাষের জন্য বালু-দোয়াস মাটির উচ্চ স্থানে চাষ করলে ভালো হয়। ইতোমধ্যে এই জিরা চাষাবাদের জমি দেখতে আশেপাশের কৃষকেরা ছুটে আসছেন। তারাও চাষাবাদের আগ্রহ প্রকাশ করছেন।”

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মণ জানান, নতুন ফসল হিসাবে মাহবুবুল ইসলাম পলাশ পরীক্ষামূলকভাবে জিরা চাষ করেছেন। তার জিরা চাষ কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরে রেখেছে। আমরা শেষ পর্যন্ত এটার ফলন কেমন হয় সেটা দেখব। তারপর অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করব।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category