• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
আমার দায়িত্ব দুস্থ মানুষের সেবা করা — ফয়সাল হাসান মাহমুদ আজ দৈনিক সিরাজগঞ্জ কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক এর মাতার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সাবেক এজিএস দুলাল কাজিপুরে “দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি”র উদ্যাগে ৪০ জন দুঃস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে নলকূপ বিতরণ  জাল টাকা তৈরির কারখানায় অভিযান, সরঞ্জামসহ আটক ১ সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের মানিকের জয়সূচক গোলে ফাইনালে বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ জনের বেলকুচিতে ‘অনিরাপদ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ইসলামিয়া কাউন্টি প্রিমিয়ার টি – ফিফটিন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এঁর উদ্বোধন করলেন হাজী আব্দুস সাত্তার

সিরাজগঞ্জে শীতের শুরুতেই শহরে পিঠা বিক্রির ধুম

Reporter Name / ১৮৩ Time View
Update : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জে শীতের শুরুতেই শহরে পিঠা বিক্রির ধুম———-
স্টাফ রিপোর্টারঃ- শীতের শুরুতেই সিরাজগঞ্জে পিঠা তৈরী কাররীরারা ব্যাস্ত সময় পার করছে। সরিষা, ধনেপাতা, শুটকি ভর্তা মাখিয়ে গরম গরম চিতই পিঠা খাওয়ার কথা মনে হলেই জিভে জল আসে। এ সময় চিতই ও ভাপা পিঠার সুগন্ধি ধোঁয়ার মন আনচান করে ওঠে। শীতের আমেজ বাড়ার সাথে সাথে কদর বাড়ে রাস্তার ধারে ও ভ্রাম্যমান পিঠা বিক্রেতাদের । এ সময় পিঠার দোকানগুলোতে ভিড় জমতে শুরু করে নানা বয়সী ক্রেতারা ।

এই শীতে সিরাজগঞ্জে শহরের এস.এস রোড, খলিফা পট্টি, মজিব সড়ক, কালিবাড়ী, চান্দালী মোড়, বাজার স্টেশন সহ বিভিন্ন অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এসব দোকানে মূলত ভাপা, চিতই, তেলের পিঠাসহ নানান বাহারি পিঠা বানানো হচ্ছে। প্রতিটি পিঠার দাম ১০/১৫ টাকা। রিকশা চালক, দিন মজুর, শিশু-কিশোর, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী সব শ্রেণি-পেশার মানুষই পিঠার এসব দোকানে ভিড় করছে। অনেকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যায় পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এসব দোকানে পিঠা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন। শহরের এস এস রোডের পিঠা ক্রেতা ছাত্তার আলী বলেন, শীতে গরম গরম পিঠা খেতে খুব মজা লাগছে। পিঠা খেতে আসা স্কুলছাত্র সোহেল বলেন, বিকাল হলে চপ, শিঙ্গাড়া, পুড়ি কিনে খেতাম। কিন্তু এখন ভাপা পিঠা কিনে খাই।রিকশাচালক ইউসুফ বলেন, শীতের মধ্যে রিকশা চালানো খুবই কষ্টকর তাই একটি গরম গরম পিঠা খেলে শরীরটা গরম হয় পিঠা বিক্রেতা মাজেদা বলেন, আমার স্বামী একজন দিনমজুর। শীতে কাজ করতে তার খুব কষ্ট হয়। তাই শীত এলেই পিঠা বিক্রি করি। এ দিয়েই চলে আমার সংসার সহ ছেলে মেয়ের পড়াশোনা। তিনি আরও বলেন, প্রায় বার মাসই চিতই পিঠা চাহিদা থাকলেও শীত মৌসুমে অন্যান্য পিঠা তৈরী করা হয়।

পিঠা বিক্রতা হালিম বলেন, শীতের মৌসুমে আমরা বেশ কয়েকজন পিঠা বিক্রি করি । নানান ধরনের পিঠা আমরা তৈরি ও বিক্রী করি। তিনি জানান, সকাল-সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে প্রতিদিন একহাজার থেকে বারশত টাকার পিঠা বিক্রি করি। এ থেকে খরচ বাদে ৫০০/৬০০ টাকা লাভ হয়। তিনি আরও বলেন গরমের সময় দিনমজুরির কাজ করি। শীতের মৌসুমে পিঠা বিক্রি করি। এতে বাড়তি আয় করে ভালভাবে ছেলে-মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে ভালই আছি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category