• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Headline
আগামীকাল সিরাজগঞ্জে মিলবে হাম-রুবেলার টিকা, পাবে ৩ লাখ ৯৫ হাজার শিশু সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল চত্বরে ৪৭ তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক রেজাউল করিম খানকে দেখতে গেলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু আমার দায়িত্ব দুস্থ মানুষের সেবা করা — ফয়সাল হাসান মাহমুদ আজ দৈনিক সিরাজগঞ্জ কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক এর মাতার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন সাবেক এজিএস দুলাল কাজিপুরে “দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি”র উদ্যাগে ৪০ জন দুঃস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে নলকূপ বিতরণ  জাল টাকা তৈরির কারখানায় অভিযান, সরঞ্জামসহ আটক ১ সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের মানিকের জয়সূচক গোলে ফাইনালে বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো জিরা চাষ করছেন কৃষি উদ্যোক্তা পলাশ

Reporter Name / ২১৩ Time View
Update : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো জিরা চাষ —-
স্টাফ রিপোর্টারঃ- জিরার বীজ রোপণের জন্য শ্রমিকদের দিয়ে জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট এলাকায়।সুপরিচিত ও জনপ্রিয় একটি মসলা জিরা। এই জিরা মসলা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে প্রথমবারের মতো বারি-১ জাতের জিরার আবাদ শুরু করেছেন মাহবুবুল ইসলাম পলাশ নামে এক কৃষি উদ্যোক্তা। তার এই উদ্যোগ দেখে স্থানীয় অন্য কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।

জানা যায়, জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট গ্রামের মাহবুবুল ইসলাম পলাশ একজন কৃষি উদ্যোক্তা। তার সংগ্রহে রয়েছে হরেক রকম বিরল বৃক্ষ। তিনি জাতীয় কৃষি পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। এই উদ্যোক্তা সখের বশে বাড়ির পাশে ১০ শতক জমিতে প্রথমবারের মতো বারি-১ জাতের জিরা চাষাবাদ শুরু করেছেন। উত্তমরূপে জমি চাষাবাদ করে সেখানে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ৪শ’ গ্রাম জিরা বীজ বপন করেছে।

স্থানীয়রা জানান, কৃষি উদ্যোক্তার নিজের প্রায় সাত বিঘা জমির উপর বাড়িতে ৩৪৫ প্রজাতির ৪ হাজার হরেক রকম বৃক্ষের সংগ্রহ রয়েছে। ছোট-বড় এসব গাছপালায় পুরো বাড়িটি সবুজে ঘেরা। মূলত বিরল বৃক্ষ সংগ্রহ এবং ফসল চাষাবাদে তার আগ্রহ বেশি। একারণে তিনি নিজের জমিতে জিরা চাষাবাদ শুরু করেছেন।

এদিকে জিরার ফলন ভাল পেলে আগামীতে এর চাষাবাদের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের এই চাষাবাদের জন্য সহযোগিতা করবে বলে কৃষি উদ্যোক্তা জানিয়েছেন।

মাহবুবুল ইসলাম পলাশ বলেন, বগুড়ার মসলা গবেষণা থেকে ২ হাজার টাকায় ৪০০ গ্রাম জিরার বীজ সংগ্রহ করে ১০ শতাংশ জমিতে রোপণ করেছি। ঘরে তুলতে প্রায় ১১০ দিনের মতো সময় লাগে। আশা করছি ফলন ভালো হলে প্রায় ২০ কেজি জিরা হবে। প্রতি কেজি জিরার বীজ ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি করলে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মতো বিক্রি করা যাবে।তিনি আরো বলেন, “জিরার চাষে সফল হলে উপজেলার কৃষকদের সুলভ মূল্যে বীজ দেওয়ার চেষ্টা করব। এই জিরা চাষে আগ্রহী করতে পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো, যাতে কৃষকেরা জিরা চাষ করে লাভবান হয়। জিরা চাষের জন্য বালু-দোয়াস মাটির উচ্চ স্থানে চাষ করলে ভালো হয়। ইতোমধ্যে এই জিরা চাষাবাদের জমি দেখতে আশেপাশের কৃষকেরা ছুটে আসছেন। তারাও চাষাবাদের আগ্রহ প্রকাশ করছেন।”

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মণ জানান, নতুন ফসল হিসাবে মাহবুবুল ইসলাম পলাশ পরীক্ষামূলকভাবে জিরা চাষ করেছেন। তার জিরা চাষ কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরে রেখেছে। আমরা শেষ পর্যন্ত এটার ফলন কেমন হয় সেটা দেখব। তারপর অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করব।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category